সাহিত্য-টীকা-প্রাচীন সূচনা

গাথাসপ্তশতী

গাথাসপ্তশতী

 

মহাকবি হাল এই গ্রন্থটির রচয়িতা। এই ‘হাল’ দক্ষিণ ভারতের সাতবাহন বংশের নরপতি হাল, না শালবাহন নামে কোন রাজা এর রচয়িতা, সে সম্পর্কে পণ্ডিত মহলে সন্দেহ বর্তমান। রচয়িতার নাম-পরিচয়ের সমস্যার জন্য গ্রন্থটির রচনাকালও সঠিকভাবে নির্ণীত হয় নি। তবে ‘কবীন্দ্রবচনসমুচ্চয়’,  ‘সদূক্তিকর্ণামৃত’, ‘সুভাষিতাবলী’ প্রভৃতি গ্রন্থের বহু শ্লোকের মধ্যে হালের এই কাব্যটির প্রভাব লক্ষ করা যায়, বিশেষতঃ রাধার (‘রাহী) প্রাচীনতম উল্লেখের জন্য গ্রন্থটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব খুব বেশি। 

আরো পড়ুন--  গঙ্গারামের মহারাষ্ট্র পুরাণ
 
মহারাষ্ট্রী প্রাকৃত যা সব চাইতে শ্রুতিসুখকর (prakit per excellence’), এই গ্রন্থটি সেই ভাষাতেই লেখা হয়। প্রায় সাতশ শ্লোক সজ্জিত মানবজীবনের বিরহমিলনের অশ্রু-আনন্দ ও কামনার উত্তপ্ত  উল্লাসে এই গ্রন্থ আজও পাঠককে আনন্দদান করে।

 
 
 

Similar Posts

  • আধুনিক-যুগ · কথাসাহিত্য · সাহিত্য টীকা · সাহিত্য-টীকা-আধুনিক

    কপালকুণ্ডলা 1866 খ্রি.

    কপালকুণ্ডলা 1866 খ্রি. – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের সাধারণ পরিচিতি দেওয়া হলো। কপালকুণ্ডলা 1866 খ্রি. রচয়িতা : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।  প্রকৃতি : রোমান্সধর্মী ঐতিহাসিক উপন্যাস।  বিষয়বস্তু : প্রকৃতি-দুহিতা ‘বনোন্মওা’ এক নারী বাস্তব সমাজ জীবনে প্রবেশ করে বাস্তবের সংঘাতে কিভাবে আবার প্রকৃতির কোলে ফিরে যায় – ইতিহাস ও রোমান্সের মিশ্রণে সেই কাহিনী আলোচ্য উপন্যাস এর বিষয়বস্তু।  নামকরণ…

  • সাহিত্য-টীকা-মধ্যযুগ

    আর্যাতর্জা কী

    আর্যাতর্জা   ঢাক ঢোল সহযোগে ছড়া জাতীয় কোনো রচনাকে একটানা সুরে গাওয়ার রীতিকে “আর্যাতর্জা’ বলা হয়েছে। ড. সুকুমার সেন বলেছেন:  অষ্টাদশ শতকের পূর্ব হইতেই ছড়া কাটিয়া ঢোল কাঁসর সঙ্গতে গান করার পদ্ধতি ধর্মঠাকুর ও শিবের গাজনে প্রচলিত ছিল। এইরূপ ছড়াকে বলিত আর্যা অথবা তর্জা অথবা আর্যাতর্জা। ‘আর্জা’ শব্দটি সংস্কৃত ছড়া জাতীয় পদ অর্থে ব্যবহৃত হত…

  • রামায়ণ-অনুবাদ · সাহিত্য-টীকা-মধ্যযুগ

    কৃত্তিবাসের আবির্ভাব কাল, টীকা

    রামায়ণের অনুবাদক কৃত্তিবাসের আবির্ভাব কাল ‘কৃত্তিবাস কীর্তিবাস কবি, এ বঙ্গের অলংকার’—কৃত্তিবাস সম্পর্কে মাইকেল মধুসূদনের এই স্তুতি যথার্থ। তিনি অনুবাদ সাহিত্যের আদি কবি। কৃত্তিবাসের আত্মপরিচয় থেকে তাঁর পিতা, মাতা, ভ্রাতা, ভগ্নী প্রভৃতির পরিচয় জানা যায়। কৃত্তিবাসী রামায়ণে তার জন্ম পরিচয় কবির পূর্বপুরুষের বাস ছিল পূর্ববঙ্গ, কিন্তু সে দেশে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে তিনি পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গাতীরের নদীয়া জেলায়…

  • মহাভারত অনুবাদ · সাহিত্য-টীকা-মধ্যযুগ

     কাশীদাসী মহাভারত 

     কাশীদাসী মহাভারত : সংস্কৃত ভাষায় রচিত মহাভারত মহাকাব্যের বাংলায় অনুবাদ করার প্রথম সফল চেষ্টা লক্ষ করা যায় কাশিরাম দাসের কাব্যে অর্থাৎ ‘ভারত পাঁচালি’তে।  কাশীদাসী মহাভারত  জীবনী কাশীরামের  নিজের দেওয়া তথ্য এবং অন্যান্য তথ্যাদি থেকে তার ব্যক্তি পরিচয় জানা যায়। কাশীরাম দাস এর জন্ম বর্ধমানের ইন্দ্রানী পরগনার অন্তর্গত সিঙ্গি গ্রামে, কায়স্থ বংশে। তার পিতার নাম কমলাকান্ত। সপ্তদশ…

  • সূচনা

    প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষায় রচিত সাহিত্য

    প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষায় রচিত সাহিত্য   প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার সঙ্গে প্রাচীন বাঙালি ও বাংলা সাহিত্যের সম্পর্ক আদৌ দুরত্বের নয়। ভাষাগত দৃষ্টিকোণে ‘প্রাকৃত’ বা ‘অপভ্রংশ’ নামকরণের কারণ, সংস্কৃত বাগভঙ্গী থেকে তার বিচ্যাুতি : ‘Speech fallen off (from the norm) vulgar speech” (Growth of Gujarati Language, M. R. Majumder, Journal of the University of Bombay,…

  • আধুনিক-যুগ · পত্র-পত্রিকা · সাহিত্য-টীকা-আধুনিক

    শনিবারের চিঠি 1924

      শনিবারের চিঠি ১৯২৪       আবির্ভাব ২৬শে জুলাই ১৯২৪ বা ১০ই শ্রাবণ ১৩৩১-এ সাপ্তাহিক পত্রিকারূপে আত্মপ্রকাশ করে ‘শনিবারের চিঠি’। পরে ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের ৯ই ভাদ্র নবপর্যায়ে মাসিক পত্রিকারূপে প্রকাশিত হয়।   সম্পাদক পরিচিতি ‘শনিবারের চিঠি’র সম্পাদক হলেন নীরদ চন্দ্র চৌধুরী। পত্রিকার প্রকৃত পরিচালক সজনীকান্ত এবং মোহিতলাল মজুমদার হলেন তাত্ত্বিক নেতা ও গুরু।  আরো পড়ুন– …