আধুনিক-যুগ পত্র-পত্রিকা সাহিত্য-টীকা-আধুনিক

দিগদর্শন পত্রিকা 1818

দিগ্‌দর্শন পত্রিকা ১৮১৮

 
 
 
 
আবির্ভাব/প্রকাশকালঃ
এপ্রিল, ১৮১৮। সম্পাদক।
 
পরিচিতি :
বাংলা ভাষায় প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা দিগদর্শন। এটি একটি মাসিক পত্রিকা। শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত হত পত্রিকাটি। সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান।
 
সমাজ ও সংস্কৃতিতে গুরুত্ব/অবদান : 
পত্রিকাটির বিশেষ গুরুত্ব এই যে, এটি ‘যুবালোকের কারণ সংগৃহীত নানা উপদেশ ও তথ্যে সমৃদ্ধ’ হয়ে প্রচারিত হয়। যুবকদের মানসিক উৎকর্ষ সাধনে পত্রিকাটি যে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেছিল সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। সে সময়ের কৌতূহলোদ্দীপক প্রসঙ্গগুলি পত্রিকাতে ভীড় করে থাকত।
 
রচনারীতির দৃষ্টান্ত : 
“ফিরিস্তা নামে একজন মুসলমান ইতিহাসবেত্তা আপন গ্রন্থে লিখিয়াছেন যে, সেইখানকার বায়ু মন্দ, এই প্রযুক্ত সেখানে লোকেরা বসতি ত্যাগ করিল এবং সেখান হইতে কাজকর্ম উঠাইয়া মোংটাঙ্গরা নগরে লইয়া গেল।”—এই বর্ণনায় কিছু কিছু ঐতিহাসিক ত্রুটি থাকলেও ভাষাটি বেশ পরিচ্ছন্ন।
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
সাহায্য: দেবেশকুমার আচার্য

Similar Posts

  • ধর্মমঙ্গল · মঙ্গলকাব্য · মধ্যযুগ · সাহিত্য-টীকা-মধ্যযুগ

    রামাই পণ্ডিতের শূন্যপুরাণ

    রামাই পণ্ডিতের ‘শূন্যপুরাণ’  রামাই পণ্ডিতের শূন্যপুরাণ-আলোচনা বাংলা সাহিত্যের ধর্মমঙ্গল কাব্য প্রসঙ্গে হয়ে থাকে। ‘শূন্যপুরাণ’ বিষয়ে এই পোস্টে আলোচিত হবে। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে  এর মুল্য রয়েছে। শূন্যপুরাণ সমস্যা রামাই পণ্ডিতের ‘শূন্যপুরাণ’-এর কাল নিয়ে কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছিল। নগেন্দ্রনাথ বসু, দীনেশচন্দ্র সেন প্রমুখ গবেষকগণ শূন্যপুরাণের ভাষাকে খুব পুরানো বলে মনে করেছিলেন। রামাই পণ্ডিতকে তাঁরা দশম-একাদশ শতকের বলে…

  • সাহিত্য-টীকা-মধ্যযুগ · অন্নদামঙ্গল · মঙ্গলকাব্য · সাহিত্য টীকা

    অন্নদামঙ্গল ১৭৫১ খ্রি.

    অন্নদামঙ্গল ১৭৫১ খ্রি. কবি = রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র। প্রকৃতি = মঙ্গলকাব্য বিষয়ক গ্রন্থ। বিভাগ = অন্নদামঙ্গলের কাহিনি তিন খণ্ডে বিভক্ত-(১) অন্নদামঙ্গল বা পৌরাণিক লৌকিক অংশ, (খ) অন্নপূর্ণা বা মানসিংহ, (গ) কালিকামঙ্গল বা বিদ্যাসুন্দর। প্রথম খন্ডে হরপার্বতী, ব্যাসদেব, হরিহোড় বা ভবানন্দের সঙ্গে অন্নদার দেবমাহাত্ম্যমূলক কাহিনি। দ্বিতীয় খণ্ডে ভবানন্দ-মানসিংহ এবং প্রতাপাদিত্যের ঐতিহাসিক কাহিনি বর্ণিত হয়েছে এবং তৃতীয় খণ্ডে…

  • আধুনিক-যুগ · গদ্যের-সূচনা

    মিশনারীদের প্রচেষ্টায় বাংলা গদ্য

      পোর্তুগীজ মিশন   ইউরোপীয় জাতিগুলির মধ্যে পর্তুগীজদের সঙ্গেই বাংলাদেশের প্রথম সম্পর্ক স্থাপিত হয়। খ্রিস্টধর্ম প্রচার করতে গিয়ে তারা বাংলা ভাষা শিখে বাংলায় বই লেখা প্রয়োজনীয় বলে বোধ করতে লাগলেন। সপ্তদশ শতকেই যে এ জাতীয় গদ্য রচনার আবির্ভাব ঘটেছিল তার পরোক্ষ প্রমাণ আছে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে রচিত কিছু বই পাওয়া গিয়েছে।   ১. দোম আন্তোনিও রচিত…

  • আধুনিক-যুগ · গদ্যের-সূচনা

    মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার (১৭৬২-১৮১৯)

    ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান পণ্ডিত ছিলেন মৃত্যু বিদ্যালঙ্কার। রামমোহন-পূর্ব যুগের স্মরণীয় বাঙালিদের মধ্যে তাঁর নাম সর্বাগ্রে উল্লেখ করতে হয়। বাংলা গদ্য সাহিত্যের প্রকৃত স্রষ্টারূপে মৃত্যুঞ্জয়কেই সম্মান দেওয়া উচিত। ফোর্ট উইলিয়ম কলেজের যে পণ্ডিতদের চেষ্টায় বাংলা গদ্য সাহিত্য ভিত্তি লাভ করে, মৃত্যুঞ্জয় তাঁদের মধ্যে রচিত গ্রন্থের সংখ্যাধিক্যে এবং ভাষার শিল্পরূপের দিক থেকে শ্রেষ্ঠ স্থানের অধিকারী ছিলেন।…

  • পত্র-পত্রিকা · সাহিত্য-টীকা-আধুনিক

    কল্লোল পত্রিকা 1923

    কল্লোল পত্রিকা ১৯২৩ 1923 শুরুর কথা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের পর্যালোচনা করতে গেলে দেখা যায় যে, এক একটি সাময়িক পত্র-পত্রিকা চিন্তা সৃষ্টি ও ভাবনার ক্ষেত্রে বিশেষ প্রভাব বিস্তার করে সাহিত্যের ক্রমবিকাশে যথেষ্ট অনুপ্রেরণা দান করেছে। রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক যুগ নামে একটি যুগ সাহিত্যের ইতিহাসে সুচিহ্নিত হয়ে আছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী কালে বাঙালির চিন্তামনন ও সৃষ্টিরাজ্যে একটা আমূল পরিবর্তন…

  • মধ্যযুগ · সাহিত্য-টীকা-মধ্যযুগ

    গঙ্গারামের মহারাষ্ট্র পুরাণ

    গঙ্গারামের মহারাষ্ট্র পুরাণ : প্রাগাধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক কাব্য বলতে যা বোঝায়, এই কাব্য কতকটা সেইরকম। গঙ্গারামের মহারাষ্ট্রপুরাণ  চৈতন্যচরিত সাহিত্যে তথ্যাশ্রয়ী যুগ-বীক্ষণের সূচনা হয়। কাব্যের মধ্যে সমকালীন ইতিহাসের প্রতিফলন দেখা গিয়েছিল তবু তা পূর্ণরূপ নয় পদক্ষেপ, পূর্ণাঙ্গ, কাহিনীর আশ্রয়ে নয়, অনুসঙ্গী ও সহায়িকার রূপে তা স্থান পায়। সেই রূঢ় বাস্তবের তাপ ও ইতিহাসের…